শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩২
Dhaka Prokash

রমজান সামনে রেখে ছোলার বাজারে উত্তাপ

রমজানকে সামনে রেখে উত্তাপ ছড়াচ্ছে ছোলার বাজার। রমজানের সবচেয়ে মুখরোচক এই খাবারের চাহিদা সারাবছর জুড়ে যতো না তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি থাকে রমজান মাসে। আর এই সুযোগেই অসাধু ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যে ছোলার দাম বাড়াতে শুরু করেছেন। ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজির ছোলা এখনই বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা। যদিও রমজানের চাহিদা মাথায় রেখে ইতোমধ্যে ছোলা আমদানিও শুরু হয়েছে। কিন্তু তাতে খুব একটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে বছরে ছোলার চাহিদা দেড় লাখ টন। রমজানে ইফতারির অন্যতম উপকরণ হিসেবে ছোলার চাহিদা বাড়ে। রমজান মাসের চাহিদা বিবেচনা করে গত চার মাসে অতিরিক্ত প্রায় দেড় লাখ টন ছোলা আমদানি করতে এলসি খোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেকগুলো দেশে চলেও এসেছে।

রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এবং টিসিবি, ট্যারিফ কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংক ও এফবিসিসিআই সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন সূত্রে জানা গেছে, দেশে ছোলার চাহিদা বছরে দেড় লাখ টন। রমজান মাসে এর চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। তাই অতিরিক্ত দরকার হয় এক লাখ টন। অন্যান্য মাসে দশমিক ৫ টন প্রয়োজন হয়। আর দেশে উৎপাদন হয় দশমিক ৬ টন। তারপরও আমদানি হয়েছে ২ লাখ টনের মতো। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি কেজি ছোলার দর হচ্ছে ৬৯ টাকা ৬৫ পয়সা। এক মাস আগে ছিল ৬৮ টাকা ৯২ পয়সা। আর এক বছর আগে ছিল ৭৪ টাকা ৭৫ পয়সা।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, অন্যান্য পণ্যের মতো রমজানকে সামনে রেখে ছোলার আমদানি গত চার মাসে অনেক বেড়েছে। তাদের তথ্যমতে, গত অক্টোবরে এলসি খোলা হয়েছে ৮ হাজার ৬১০ টন, নভেম্বরে প্রায় ১৭ হাজার টন, ডিসেম্বরে প্রায় ৫০ হাজার টন। আর গত জানুয়ারি মাসে এলসি খোলা হয়েছে প্রায় ৫৮ হাজার টন। এভাবে চার মাসে এলসি খোলা হয়েছে এক লাখ ৩৩ হাজার টন।

ইতোমধ্যে এলসি খোলা ছোলার একটা বড় অংশ দেশে চলে এসেছে। গত জুলাই থেকে ডিসেম্বরে এলসি নিষ্পত্তি (দেশে এসেছে) হয়েছে সাড়ে ৫৩ হাজার টন। জানুয়ারিতে এসেছে ২১ হাজার টন। সাত মাসে দেশে ছোলা এসেছে ৭৪ হাজার ৫০০ টন। আর চাহিদা ৩ টনেরও কম। পর্যাপ্ত ছোলা থাকার পরও হঠাৎ করেই রমজানের আগে আগে ছোলার দাম বাড়ছে কোনো কারণ ছাড়াই।

টিসিবির সূত্র বলছে, বর্তমানে প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা। অথচ এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। আর ঠিক একমাস আগে খুচরা বিক্রেতারা প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি করেছেন ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। এক বছর আগে ছিল ৭০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০ টাকা।

এদিকে ভোক্তারা বলছেন, এত আমদানির পরও রমজান মাসকে সামনে রেখে ছোলার দাম কেন বাড়ছে এটা তাদের মাথায় যাচ্ছে না। মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটে কথা হয় ক্রেতা নুরুল হুদার সঙ্গে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আসলে দেশে হচ্ছে কী? সরকার বলছে, চাহিদার চেয়ে বেশি আছে। দামও কম। কিন্তু বাজারে এসে দেখি কোনো মিল নেই। কয়েক মাসের ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে।

টাউনহলের মনির জেনারেল স্টোরের মনির ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, আমরা কী করব? ৮৪ টাকা কেজি কিনে ৯০ টাকায় বিক্রি করছি। যা কয়েক মাস আগেও ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। আমরা পাইকারদের কাছ থেকে কিনে থাকি। গোড়াতেই দাম বাড়াচ্ছে। তাদের ধরলেই বাজার স্থির থাকবে। আমদানিকারকদের সিন্ডিকেটেই দাম বাড়াচ্ছে।

শুধু টাউনহলই নয়, বাড়তি দামে ছোলা বিক্রি হচ্ছে কারওয়ান বাজারসহ সব বাজার এবং পাড়া-মহল্লার দোকানেও।

কারওয়ান বাজারের আল্লাহর দান স্টোরের শাহ আলম বলেন, আমরা সামান্য লাভে বিক্রি করি। মূল্য তালিকা ঝুলানো আছে। এর বেশি দামে বিক্রি করি না। এ সময় আলী হোসেন নামে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখনো রমজান আসতে একমাস বাকি। তারপরও কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে গেছে। দেখার কি কেউ নেই?

মোহাম্মদপুরের ফিউচার মডেল টাইন হাউজিংয়ের আল আমিন এন্টারপ্রাইজের আনোয়ার হোসেনও বলেন, বেশি দামে কেনা। আমরা অল্প লাভে বিক্রি করি।

এফবিসিসিআইর সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন সম্প্রতি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর মজুদ, আমদানি, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি বিষয়ক মতবিনিময় সভায় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেছেন, কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে কেউ যাতে বাজার অস্থিতিশীল না করে। সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সচেতন থাকতে হবে।

সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বলেছেন, সারাবিশ্বে যেখানে উৎসব এলে ব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম কমিয়ে দেন, সেখানে আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে। উৎসবে পণ্যের দাম বাড়ানোর সংস্কৃতি থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে।

এনএইচবি/আরএ/

Header Ad
Header Ad

গোবিন্দগঞ্জে মৃত আওয়ামী লীগ নেতার নামে জামাতের মামলা

মৃত বাবুল আকতার। ছবি : সংগৃহীত

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মৃত্যুর চার দিন পর একজন আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা নিয়ে জেলায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, গত ১৫ এপ্রিল অসুস্থতার কারণে মারা যান পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বাবুল আকতার (পিতা: আব্দুল জলিল মিয়া, গ্রাম: ডাকুনী)। মৃত্যুর পর ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

কিন্তু ১৯ এপ্রিল গোবিন্দগঞ্জ থানায় জামায়াত নেতা আজাদুল ইসলাম বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে বাবুল আকতারকে ১৫৫ নম্বর আসামি করা হয়। মামলায় মোট ২২১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "শুনেছি তিনি মারা গেছেন, তবে বিষয়টি যাচাই চলছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।"

 

Header Ad
Header Ad

গুজরাটে ১ হাজারের বেশি বাংলাদেশি গ্রেফতারের দাবি পুলিশের

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের গুজরাট রাজ্যে অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযানে এক হাজারের বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রাতভর আহমেদাবাদ ও সুরাট শহরে যৌথ বাহিনীর এই অভিযান চালানো হয়। শনিবার (২৬ এপ্রিল) ভারতের বার্তাসংস্থা পিটিআইয়ের বরাতে ইন্ডিয়া টুডে এ তথ্য জানিয়েছে।

রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্ষ সাংভির নির্দেশে পরিচালিত এই অভিযানে আহমেদাবাদ থেকে প্রায় ৮৯০ জন এবং সুরাট থেকে ১৩৪ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে পুরুষ, নারী ও শিশুরাও রয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্ষ সাংভি সতর্ক করে বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে এবং তাদের আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সুরাট পুলিশের যুগ্ম কমিশনার রঘবেন্দ্র ভাটস জানান, আটককৃতদের পরিচয় যাচাইয়ের কাজ চলছে এবং যাচাই শেষে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

গুজরাট সরকারের এই অভিযান দেশজুড়ে অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

নওগাঁর রাণীনগর ও আত্রাই বাসীর গলার কাঁটা ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ অবশেষে সংস্কার

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

নওগাঁর রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলাবাসীর গলার কাঁটা মালঞ্চি-নান্দাইবাড়ি-কৃষ্ণপুর ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধটি। গোনা ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় আশির দশকে নির্মিত বেড়িবাঁধটি বছরের পর বছর স্থায়ী ভাবে সংস্কার কিংবা মেরামত না করার কারণে বাঁধটির প্রায় ৬ কিলোমিটার অংশই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় ছিলো।

গত ২০২২সালে প্রথমবারের মতো বাঁধের অত্যন্ত ঝূঁকিপূর্ণ কিছু অংশ মেরামত করা হলেও বর্তমানে পুরো অংশটিই খুবই নাজুক। অবশেষে সেই নাজুক অংশ মেরামতের কাজ শুরু করেছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড ।

সুত্রে জানা, পূর্বে বর্ষা মৌসুমে ছোট যমুনা নদীতে যখনই পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঝূঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম হতো তখনই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা ছোটাছুটি শুরু করতো আর যখন নদীতে পানি থাকে না তখন বাঁধটি মেরামত কিংবা সংস্কার করার কোন পদক্ষেপই গ্রহণ করা হতো না। একাধিকবার ঝূঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলার শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে এবং হাজার হাজার হেক্টর জমির ধানসহ বিভিন্ন ফসল নষ্ট হয়েছে। এমন অবস্থা থেকে মুক্ত হতে জেলা প্রশাসন উপজেলা প্রশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের যৌথ উদ্দ্যোগে বর্ষার আগেই সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছে। প্রশাসনের এমন জনবান্ধব কর্মকান্ডে স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। অন্তত এবার নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলেও বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে বন্যা হওয়ার শঙ্কা নিয়ে রাত কাটাতে হবে না বলে জানিয়েছে বেড়িবাঁধের পাশে বসবাসরত বাসিন্দারা।

রাণীনগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ( পিআইও) মো. নজরুল ইসলাম জানান, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় ওই বেড়িবাঁধের কৃষ্ণপুর আলাউদ্দিনের জমি থেকে বেলালের জমি পর্যন্ত সাড়ে ৪০০ ফিট আর বেলালের জমি থেকে রফিকুলের জমি অভিমুখে ৪২৬ ফিট মোট ৮২৬ ফিট বাঁধের বিপরীত অংশে মাটি দিয়ে প্রশস্তকরণ কাজ শুরু করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কাবিখা প্রকল্পের মাধ্যমে এই সংস্কার কাজ করা হচ্ছে। পূর্বে ওই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধের উপরের বিভিন্ন অংশের প্রস্থ ছিলো গড়ে ৬ থেকে ১০ ফিটের মধ্যে যা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেঙ্গে যাওয়ার ভয় ছিলো। কিন্তু বর্তমানে সংস্কারের মাধ্যমে মাটি দিয়ে বাঁধের উপরের অংশের প্রস্থ ২৪ ফিট আর নিচের অংশের প্রস্থ করা হচ্ছে ৫০ ফিট যা নদীতে বিপদসীমার উপর দিয়েও পানি প্রবাহিত হলে ভেঙ্গে যাওয়ার কোন ভয় থাকবে না। সার্বক্ষণিক ভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজে সংস্কার কাজ পর্যবেক্ষণ করছেন। বেড়িবাঁধের এমন সম্প্রসারণ কাজের কারণে দুই উপজেলার মানুষরা বাঁধ ভেঙ্গে হঠাৎ সৃষ্টি হওয়া বন্যার কবল থেকে রেহাই পাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রবীর কুমার পাল জানান ইতিমধ্যেই কৃষ্ণপুর নামক স্থানে ছোট যমুনা নদীর বাম তীরে ভাঙ্গন কবলিত স্থানে ২৬ লাখ ৪৭ হাজার টাকা ব্যয় জিও বস্তা ডাম্পিং ও প্লেসিং এর মাধ্যমে জরুরী ভিত্তিতে অস্থায়ী তীর প্রতিরক্ষামূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সম্মিলিত ভাবে বেড়িবাঁধের প্রশস্তকরণ কাজ চলমান রেখেছে। আশা রাখি এমন কাজে দুই উপজেলার লাখ লাখ মানুষ দীর্ঘস্থায়ী ভাবে সুফল পাবেন।

রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসান জানান প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষনের কারণে ছোট যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলেই বাঁধের ঝ’কিপূর্ণ স্থানে ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতো। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধের যে কোন স্থানে ভেঙ্গে গিয়ে রাণীনগর ও আত্রাই এই দুই উপজেলার শতাধিক গ্রামসহ হাজার হাজার হেক্টর ফসলের জমি তলিয়ে যাওয়ার ভয়ে থাকতো। বিভিন্ন সময় ছোট ছোট বরাদ্দ দিয়ে অস্থায়ী ভাবে বাঁধের মেরামত করা হলেও সেটি দীর্ঘস্থায়ী ছিলো না। ফলে নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলেই প্রতিবছরই বাঁধের ঝূঁকিপূর্ণ অংশ মেরামতের প্রয়োজন দেখা দিতো। এমন সমস্যার স্থায়ী সমাধাণের লক্ষ্যে সম্প্রতি ঝ’কিপূর্ণ বাঁধটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক বর্ষা মৌসুমের আগেই বেড়িবাঁধের ঝূঁকিপূর্ণ অংশ স্থায়ী ভাবে মেরামত ও সংস্কার করার নির্দেশনা প্রদান করেন। সেই নির্দেশনা মোতাবেক চলতি মাসের শুরু থেকে বেড়িবাঁধের নদীর বিপরীত পাশে মাটি দিয়ে প্রশস্তকরণ কাজ শুরু করা হয়েছে।

এই কাজের পর পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধের নদীর ভিতরের অংশে জিও বস্তা ডাম্পিং ও প্লেসিং এর মাধ্যমে সংস্কার করছে যাতে নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলেও বাঁধের ঝূঁকিপূর্ণ কোন অংশ ভেঙ্গে যাওয়ার শঙ্কা থাকবে না।

নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল জানান, যে কোন উন্নয়ন মূলক কাজে স্বচ্ছ ও দীর্ঘস্থায়ী পরিকল্পনা থাকা জরুরী। ছোট যমুনা নদীর মালঞ্চি-নান্দাইবাড়ি-কৃষ্ণপুর ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধটি শুধু দুই উপজেলার নয় পুরো জেলার জন্যও গলার কাটা ছিলো। সেই বাঁধে বার বার অর্থ খরচ না করে এবার জরুরী অবস্থা সৃষ্টি হওয়ার আগেই স্থায়ী ভাবে মেরামতের উদ্দ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। চলমান সংস্কার কাজ সম্পন্ন হলে এবার আর বর্ষা মৌসুমে এই অঞ্চলের মানুষদের নির্ঘুম রাত কাটাতে হবে না। ধারাবাহিক ভাবে এই বাঁধসহ জেলার অন্যান্য উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলোও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা নিয়ে স্থায়ী ভাবে সংস্কার/মেরামত করা হবে বলেও তিনি জানান।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

গোবিন্দগঞ্জে মৃত আওয়ামী লীগ নেতার নামে জামাতের মামলা
গুজরাটে ১ হাজারের বেশি বাংলাদেশি গ্রেফতারের দাবি পুলিশের
নওগাঁর রাণীনগর ও আত্রাই বাসীর গলার কাঁটা ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ অবশেষে সংস্কার
যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ
গোবিন্দগঞ্জে গাঁজাসহ ট্রাকের চালক-হেলপার গ্রেপ্তার
আদমদীঘিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা তোহা গ্রেপ্তার
নাটকীয়তা শেষে রাতে ফাইনালে মুখোমুখি রিয়াল-বার্সা
মাদকাসক্ত ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করলেন বাবা
গরমে লোডশেডিং নিয়ে সুখবর দিলেন জ্বালানি উপদেষ্টা
পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত: সৌরভ গাঙ্গুলি
র‍্যাফেল ড্রতে ৯ কোটি টাকা জিতলেন দুই প্রবাসী বাংলাদেশি
৬২ জন পুলিশ সদস্য পাচ্ছেন বিপিএম ও পিপিএম পদক
সিন্ধুতে হয় পানি, না হয় ভারতীয়দের রক্ত বইবে: বিলাওয়াল ভুট্টো
অন্য নারীতে মজেছেন সৃজিত! মিথিলা কোথায়?
৪ মাসে কুরআনের হাফেজ হলেন ১০ বছরের অটিস্টিক শিশু আহমাদ
রাষ্ট্র সংস্কারের যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা যেন বেহাত না হয়: আলী রীয়াজ
১৪ ব্যাংকে ২৩৮ কোটি টাকা স্থানান্তর, যা বললেন বিসিবি সভাপতি
কাশ্মীর সীমান্তে ফের গোলাগুলি, মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান সেনা
বাইরে থেকে ফিরেই ঠান্ডা গোসল? সাবধান! এই অভ্যাস ডেকে আনতে পারে বিপদ
কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তান-ভারত পাল্টাপাল্টি উত্তেজনা নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প