সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫ | ১৪ বৈশাখ ১৪৩২
Dhaka Prokash

সচিবালয়ের নিরাপত্তা শাখার দায়িত্বে মহিলা লীগ নেত্রীর ছেলে!

শাহে এলিদ মাইনুল আমিন। ছবি: সংগৃহীত

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোপে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা। এরপর থেকেই পাল্টে যেতে থাকে দেশের প্রেক্ষাপট। গাঢাকা দিয়েছেন তৎকালীন সরকারের আষ্টেপৃষ্টে থাকা সকল মন্ত্রী-এমপি, নেতা এবং সরকারের আনুগত্যে থাকা অধিকাংশ আমলারা। তবে এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন বেশকিছু আমলা।

এমনই একজন শাহে এলিদ মাইনুল আমিন; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা। প্রশাসন ক্যাডারের এই উপসচিব সচিবালয়ের নিরাপত্তা শাখার দায়িত্বে রয়েছেন। জননিরাপত্তা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ শাখা এটি। এলিদের মা বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাফিয়া খাতুন। অভিযোগ রয়েছে মায়ের প্রভাব খাটিয়েই তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ শাখায় পদায়ন নিয়েছিলেন। অথচ শেখ হাসিনার পতনের পর এলিদ এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। সচিবালয়ের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব এখনো তার কাঁধে। এ নিয়ে প্রশাসনে সমালোচনা উঠেছে। দেশের একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শাহে এলিদ মাইনুল আমিন বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২৭তম ব্যাচের কর্মকর্তা। মায়ের রাজনৈতিক প্রভাবের দৌড়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদে পদায়ন নিয়েছিলেন। এরপর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় ছিলেন এলিদ। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিবালয় নিরাপত্তা শাখায় যোগদান করেন তিনি। এ শাখায় যোগদানের পর থেকে ক্ষমতার দাপট দেখাতে থাকেন এ কর্মকর্তা। সেবাপ্রত্যাশী মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা অভিযোগ করে গণমাধ্যমকে বলেন, এলিদ নিজেকে অনেক বড় কর্মকর্তা মনে করেন। কাউকে সহজে তিনি সম্মান দেখান না। সেবাপ্রত্যাশীদের সঙ্গেও তিনি ভালো আচরণ করেন না। তার ব্যক্তিগত ফোন নম্বরও কাউকে দেন না। এমনকি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তার যে মোবাইল নম্বর দেওয়া সেটিও বন্ধ থাকে। একজন কর্মকর্তা ওয়েবসাইটে দেওয়া নম্বর বন্ধ রাখতে পারেন না। এটি অন্যায়। কারণ মানুষ নানা কাজেই কর্মকর্তাদের ফোন করে থাকে। অথচ তিনি অচল একটি নম্বর ওয়েবসাইটে দিয়ে রেখেছেন। অহমিকা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতা থেকেই তিনি এমনটি করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, তার মা সাফিয়া খাতুন ২০১৭ সালের মার্চ থেকে ২০২২ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। এর আগে সংগঠনটির বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। এলিদ তার মায়ের রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে চাকরি জীবনে সবসময় সুবিধাজনক অবস্থানে ছিলেন। এখনো তিনি জননিরাপত্তা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ শাখায় বসে আছেন। অথচ ওই শাখার কাজ সচিবালয়ের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব। আওয়ামী সুবিধাভোগী একজন কর্মকর্তাকে এমন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় এখনো বহাল রাখা কোনোভাবেই সমীচীন নয়। তাকে দ্রুত বদলি করা জরুরি বলেও মনে করেন এই কর্মকর্তা। না হয় সচিবালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা সরকারবিরোধী কোনো পক্ষকে কাজেও লাগাতে পারেন। কারণ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী এসব কর্মকর্তা ক্ষমতা হারিয়ে এখন ষড়যন্ত্রের পথেই আছেন।

জননিরাপত্তা বিভাগের ওয়েবসাইটে দেওয়া মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় শাহে এলিদ মাইনুল আমিনের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

রেফারির কাছে ক্ষমা চাইলেন মাদ্রিদের ডিফেন্ডার আন্তনিও রুদিগার

ছবি: সংগৃহীত

চূড়ান্ত বাঁশি বাজার ঠিক আগে এক উত্তপ্ত ঘটনার জন্ম দেন রিয়াল মাদ্রিদের ডিফেন্ডার আন্তনিও রুদিগার। এরিক গার্সিয়ার বিরুদ্ধে কিলিয়ান এমবাপের করা একটি ফাউলের প্রতিবাদে বেঞ্চে থাকা রুদিগার ক্ষিপ্ত হয়ে রেফারির দিকে আইস ব্যাগ ছুঁড়ে মারেন, যার ফলে তিনি সরাসরি লাল কার্ড দেখেন।

ঘটনা সেখানেই শেষ হয়নি। লাল কার্ড দেখার পর রুদিগার আরও উত্তেজিত হয়ে রেফারির দিকে তেড়ে যান, তবে ক্লাবের টেকনিক্যাল কমিটির এক সদস্য তাকে আটকান। পরে মাথা ঠাণ্ডা হলে রুদিগার নিজের আচরণের জন্য অনুতপ্ত হন এবং রোববার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রেফারি দে বুরগোস বেঙ্গোইচিয়ার কাছে ক্ষমা চান।

নিজের ভুল স্বীকার করে রুদিগার লেখেন, "গতরাতের আচরণের কোনো যুক্তি নেই। আমি সত্যিই দুঃখিত, এবং রেফারির কাছেও ক্ষমা চাইছি।" একইসঙ্গে তিনি নিজের পারফরম্যান্সের দুর্বলতার কথা স্বীকার করেন এবং দলের দুর্দান্ত দ্বিতীয়ার্ধের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন।

রেফারির ম্যাচ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, রুদিগার টেকনিক্যাল এরিয়া থেকে একটি বস্তু ছুঁড়েছিলেন, যদিও তা রেফারির শরীরে লাগেনি। এছাড়া লাল কার্ড প্রদর্শনের পর তাকে শান্ত করতে টেকনিক্যাল স্টাফদের এগিয়ে আসতে হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

 

Header Ad
Header Ad

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা উপহার দিলেন ছাত্রদল নেতা

ছবি: সংগৃহীত

২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা উপহারের মাধ্যমে বরণ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদল। ঢাবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন শাওনের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

রোববার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য সাক্ষাৎকার দিতে আসা শিক্ষার্থীদের মাঝে নোটবুক, কলম, পানি, বিস্কুট, সেলাইন এবং প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা ও মেডিসিন সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি অভিভাবকদের বিশ্রামের জন্য চেয়ারের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করা হয়।

এ সময় নাছির উদ্দিন শাওনের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন ঢাবি ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমাম আল নাসের মিশুক ও আকিব জাবেদ রাফি, সহ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ সেকান্দার, গণসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক মানিউল আলম পাঠান শান্ত, সদস্য ইমদাদুল হক ও হাসিবুর রহমান সাকিব, মহসিন হল শাখার দপ্তর সম্পাদক মোঃ আবুজার গিফারী ইফাত, সহ ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক রায়হানা পারভীন, সহ-আইন সম্পাদক সাফওয়ান হাসান তামিম, কর্মী কাজী আবির, আব্দুল্লাহ অনন্ত, লুৎফুর কবির রানা, ক্রীড়া সম্পাদক (জসীমউদ্দিন হল শাখা) আব্দুল ওহেদ, কর্মী মাসুম বিন বশির এবং নাঈম চৌধুরী।

ছাত্রদল নেতারা নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সফলতা কামনা করেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

Header Ad
Header Ad

দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও নূরজাহান বেগম। ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতির অভিযোগ তুলে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও নূরজাহান বেগমের পদত্যাগ দাবি করেছে বৈষম্যবিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। একইসঙ্গে তাদের দুই সহকারীকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়। এতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে বদলি, পদোন্নতি, পদায়ন ও টেন্ডার সংক্রান্ত তদবির বাণিজ্যে লিপ্ত ছিলেন এই দুই উপদেষ্টার সহকারীরা। অভিযোগ রয়েছে, মোয়াজ্জেম হোসেন প্রায় ৪ শত কোটি টাকা আয় করেছেন। একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পিও তুহিন ফারাবী ও ডা. মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধেও।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অভিযুক্তদের পেছনে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় ছিল বলেই তারা এতদূর যেতে পেরেছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে—তাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টারা কি দায় এড়াতে পারেন?

সংগঠনটি বলেছে, নৈতিক দায়বদ্ধতা ও জনমনে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতেই উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও নূরজাহান বেগমের পদত্যাগ করা উচিত। পাশাপাশি দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

এদিকে, দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদক ইতোমধ্যে মোয়াজ্জেম হোসেন ও তুহিন ফারাবীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। গত বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির মহাপরিচালক ও মুখপাত্র মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেন এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পিও তুহিন ফারাবীকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

রেফারির কাছে ক্ষমা চাইলেন মাদ্রিদের ডিফেন্ডার আন্তনিও রুদিগার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা উপহার দিলেন ছাত্রদল নেতা
দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি
নওগাঁয় গ্রাহকের আমানতের টাকা ফেরত না দেওয়ায় জাতীয় পার্টি’র নেতাকে গণধোলাই
পাকিস্তানের পাশাপাশি বাংলাদেশকেও পানি না দেওয়ার আহ্বান বিজেপি এমপির
এসআই নিয়োগের ফলাফল প্রকাশ, ৫৯৯ জনকে প্রাথমিক সুপারিশ
হাকিমপুরে গরীবের চাল ছাত্রলীগ নেতার গুদামে
চুরির অভিযোগে কুবির দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার
ভারত-পাকিস্তান ইস্যুতে আগবাড়িয়ে কিছু করার পক্ষে নয় ঢাকা
সাব-ইন্সপেক্টর পদে প্রাথমিক সুপারিশ পেল ৫৯৯ জন
দুই উপদেষ্টার এপিএস-পিও’র দুর্নীতির খোঁজে গোয়েন্দা কার্যক্রম শুরু
নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা চায় জামায়াত
কক্সবাজার-১ আসনের সাবেক এমপি জাফর আলম গ্রেপ্তার
ভারতের দিকে তাক করা পাকিস্তানের ১৩০ পারমাণবিক বোমা
চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় তাওহিদ হৃদয়, বাড়ছে নাটকের রঙ
উত্তেজনার মধ্যেই যুদ্ধজাহাজ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাল ভারত
ছেলে খুঁজে পাচ্ছি না, একজন জীবনসঙ্গী দরকার: মিলা
টাঙ্গাইলে শ্রমিকদলের নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধে ভারতের ১.১৪ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির শঙ্কা
দেশের পথে প্রধান উপদেষ্টা